মাগো আমি হঠাৎ করে পিছন ফিরে চাই
তোমার কন্ঠের সারা মাগো নাহি আমি পাই;
তুমি ছাড়া আমি যে হায় ভীষন ছন্নছাড়া
একলা পথে তোমায় ছাড়া চলতে বড় জ্বালা।
তোমার রাগী কন্ঠটা আর বাজে না মোর কানে
ভীষন অগোছালো আমি তোমায় বিহনে।
যে যাই বলুক , যে যাই করুক আমার চারিপাশে
তুমি যে মা শ্রেষ্ঠ আমার , জগতেরই মাঝে।
মরম জ্বালা সয়নাগো মা , ভীষন একা লাগে
বড্ড ভালো ছিলাম আমি তোমার আচলেতে।
কেনগো মা নিয়তি আজ খেলছে এমন খেলা
তোমায় ছাড়া দূর দূরান্তে ভাসি একেলা;
কষ্ট কি পাও তুমিও মা আমায় ছেড়ে দূরে
তবে কেন বিধির বিধান এমন করে দিলে।
দিবানিশি স্বপ্ন বুনি তোমায় ঘিরে মাগো
এই বুঝি মোর জনম দুঃখী মা জননী এলো;
দিন চলে যায় , মাস চলে যায় , আসে নতুন বছর
আমার আশার আলো যে মা হয়না উদয় আর।
বুকের মধ্যে মাঝেমাঝে ডুকরে কেদে উঠে
আমার মায়ের বদনখানি সামনে তখন ভাসে।
দিবানিশি ভাবি মাগো পাইনা কোন দিশা
তুমি মাগো ভীষন ভালো দাওনা কোন বকা।
তোমার মতো এখনতো আর কেউ থাকেনা পাশে,
লয়না কেহ খবর মাগো তোমার মতো করে ।
পূন:জন্ম হয় যদি মা অমার কোন কালে
তোমায় ছেড়ে আর কোথাও যাবোনাতো দূরে।
আমার সকল সত্বা জুড়ে রাখবো মগো তোরে
সকল ভুলের শাস্তি সেদিন দিও তুমি মোরে
জানিগো মা তোমার মনে কষ্টের পাহাড় জমা;
তবুও মা আমার সামনে কেন করো ছলনা ।
সকল কষ্টের পাহারগুলি ববুকের ভেতর চেপে
আমায় তুমি কাছে পেলে যাও কেনগো ভুলে।
কেন এখন করনা আর আগের মতো শ্বাসন
তোমার রাগী কন্ঠটা যে মনটা পোড়ায় আজ।
আদর সোহাগ ভালোবাসা উজার করে দিলে
বিনিময়ে ব্যথা ছাড়া কি দিলাম তোমারে!
এমন সন্তান সংসারেতে হয়না যেন কারো
মায়ের চোখের পানি যদি মুছতে নাহি পারো।
কলমে : (সাবিনা ইয়াসমিন)