শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও শিক্ষানবিশ এএসপিগণের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! নালিতবাড়িতে ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার তিন শেরপুর নকলা হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতে নারী দালালকে জরিমানা বড় ভাইয়ের পরিবারকে ঘর থেকে বের করে দিল ছোট ভাই ডাকসু নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রবাস ফেরৎ শাহ জামালের বিরুদ্ধে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলা মাত্র ১৫ সেকেন্ডে হাতুড়ির ১৩টি আঘাত! সহকর্মীকে নি*র্ম*ম হ*ত্যা তরুণ রতনের জামালপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে ৭৫ কেজি ভারতীয় এলাচ জব্দ

বরগুনায় পথশিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

মোঃ আজমল হুদা মিঠু, স্টাফ রিপোর্টার

সংবাদটি শেয়ার করুন....

বরগুনায় এক পথ শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর তাকে হাসপাতালে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। ঘটনার সাতদিন পর ওই শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোসলেম (৬৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার রাতে বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মোসলেমকে গ্রেফতার করা হয়। পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা মোসলেম বরগুনা সদর উপজেলার হেউলিবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা।

 

পুলিশ সূত্রে যায়, আট বছরের শিশুটি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের বৈকালীন বাজার এলাকার বাসিন্দা। শিশুটির বাবা ভিক্ষুক ও মা মানসিক প্রতিবন্ধী। শিশুটি বরগুনা শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাসমান অবস্থায় থাকে। অভিযুক্ত মোসলেম বরগুনা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন।

 

গত ৭ মার্চ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের দক্ষিণ পাশের গেটের কাছে পথ শিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে মোসলেম। এ সময় শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত শিশুটিকে বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাসপাতালে দেখা যায়, শিশুটিকে রেজিস্ট্রার ভুক্ত করে ভর্তি করা হয়নি। পরে পঞ্চম তলার একটি ওয়ার্ডে তার সন্ধান মেলে।

 

শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে। এ সময় শিশুটির সঙ্গে তার ছোট বোনও ছিল। সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেলে শিশুটি নিজেই অভিযুক্ত মোসলেমকে শনাক্ত করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।

 

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল হালিম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা নির্যাতিত শিশুটিকে উদ্ধার করি। শিশুটির দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী, তিনজনকে আটক করি। এদের মধ্যে এক বৃদ্ধকে শিশুটি শনাক্ত করেছে। আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরণের ঘটনা সরকারি সংরক্ষিত প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কীভাবে ঘটেছে তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালের কোনো স্টাফ জড়িত ছিল কি না তাও দেখা হচ্ছে।’


সংবাদটি শেয়ার করুন....



আমাদের ফেসবুক পেজ