বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও শিক্ষানবিশ এএসপিগণের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! নালিতবাড়িতে ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার তিন শেরপুর নকলা হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতে নারী দালালকে জরিমানা বড় ভাইয়ের পরিবারকে ঘর থেকে বের করে দিল ছোট ভাই ডাকসু নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রবাস ফেরৎ শাহ জামালের বিরুদ্ধে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলা মাত্র ১৫ সেকেন্ডে হাতুড়ির ১৩টি আঘাত! সহকর্মীকে নি*র্ম*ম হ*ত্যা তরুণ রতনের জামালপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে ৭৫ কেজি ভারতীয় এলাচ জব্দ

পটুয়াখালীতে নিজ ঘরে মিলল হাত-পা বাঁধা বৃদ্ধের মরদেহ

মোঃ কবির তালুকদার (পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি)

সংবাদটি শেয়ার করুন....

পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বড় আউলিয়াপুর গ্রামে এক ব্যক্তির হাত-পা ও চোখ-মুখ বাধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম আলমগীর তালুকদার (৫০)। তিনি বড় আউলিয়াপুর গ্রামের মোজাম্মেল তালুকদারের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) থেকে আলমগীর তালুকদারের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেদিনই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার সকালে নিহতের স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতে এসে পচা গন্ধ টের পান। পরে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে আলমগীর তালুকদারের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সদর থানা পুলিশ, সিআইডি, ডিবি, পিবিআইসহ জেলা পুলিশের একাধিক টিম। এ সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাজেদুল ইসলাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ।

নিহতের বড় ছেলে মো. রিয়াজ হোসেন (৩০) বলেন, ‘বাবার সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা তাকে এভাবে হত্যা করেছে, তা বুঝে উঠতে পারছি না। আমরা আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।’

মৃত ব্যক্তির নাম আলমগীর তালুকদার। তিনি জৈনকাঠী ইউনিয়নের মৃত মোজাম্মেল হক তালুকদারের ছেলে। আলমগীর বাড়িতে একাই থাকতেন। তার স্ত্রী ও সন্তান ঢাকায় থাকতেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। সিআইডি ও পিবিআই যৌথভাবে কাজ করছে। প্রকৃত রহস্য খুব শিগগিরই উদঘাটন হবে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’


সংবাদটি শেয়ার করুন....



আমাদের ফেসবুক পেজ