শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও শিক্ষানবিশ এএসপিগণের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! নালিতবাড়িতে ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার তিন শেরপুর নকলা হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতে নারী দালালকে জরিমানা বড় ভাইয়ের পরিবারকে ঘর থেকে বের করে দিল ছোট ভাই ডাকসু নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রবাস ফেরৎ শাহ জামালের বিরুদ্ধে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলা মাত্র ১৫ সেকেন্ডে হাতুড়ির ১৩টি আঘাত! সহকর্মীকে নি*র্ম*ম হ*ত্যা তরুণ রতনের জামালপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে ৭৫ কেজি ভারতীয় এলাচ জব্দ

বিএনপির বিজয় র‌্যালিতে সন্ত্রাসীদের হামলায় সাংবাদিকসহ ৩ জন গুরুতর আহত

মোঃ আশিকুজ্জামান, স্টাফ রিপোর্টার

সংবাদটি শেয়ার করুন....

০৬ আগস্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ রোজ বুধবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে বিজয় র‌্যালি আয়োজন করা হয় । উক্ত র‌্যালি চলাকালে একদল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বর্বরোচিত হামলায় একজন সাংবাদিকসহ দুইজন শ্রমিক দলের নেতা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, সাবেক শ্রমিকদল নেতা ও মাদারীপুর সদর উপজেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম মুন্সির নেতৃত্বে একটি বিজয় র‌্যালি শহরে বের হয়। উক্ত র‌্যালিতে অংশ নেন তার আপন দুই ভাই শ্রমিকদল নেতা সোহাগ মুন্সি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সদর উপজেলা
ও মিলন মুন্সি সদস্য, মাদারীপুর সদর উপজেলা।

 

উক্ত আনন্দ র‌্যালির সংবাদ সরবরাহ করার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাদেরই ছোট ভাই ও দৈনিক আমার বার্তার মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লিখন মুন্সি।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একদল সশস্ত্র বাহিনী র‌্যালির মধ্যে ঢুকে অতর্কিতভাবে হামলা করে এবং কুপিয়ে গুরুতর জখম করে-
১/ সাংবাদিক লিখন মুন্সিকে।
২/ সোহাগ মুন্সিকে ।
৩/ মিলন মুন্সিকে।

ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

আহতদের অবস্থার অবনতি হলে সাংবাদিক লিখন মুন্সি এবং সোহাগ মুন্সিকে ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
আহত লিখন মুন্সির অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন মাদারীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

 

আহতদের আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে জানা গিয়াছে উক্ত সন্ত্রাসী হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন মাদারীপুর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক মহিলা কাউন্সিলর সালমার স্বামী জনাব লাভলু হাওলাদার।

 

উক্ত হামলার সাথে আরো জড়িত ছিলেন তার নিকটতম লোকজন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হলো মাদারীপুর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ কামরুল ইসলাম ও যাচ্চু হাওলাদার, হাসান মুন্সি, হান্নান ঢালী, রনি মুন্সি, মামুন ঢালী, হানিফ চকিদার, আরিফ চকিদার, মেহেদী মাতুব্বর, জিসান ঢালী, শান্ত ঢালী, আবির ঢালী এবং সাজন মুন্সি।
এরা সবাই জনাব লাভলু হাওলাদারের কুখ্যাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য এবং চাঁদাবাজ  এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে শোনা যায়।

 

এ ঘটনায় মাদারীপুরজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বিধায় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সাধারণ জনগণ এই সন্ত্রাসী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে সন্ত্রাসী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ।


সংবাদটি শেয়ার করুন....



আমাদের ফেসবুক পেজ