রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও শিক্ষানবিশ এএসপিগণের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! নালিতবাড়িতে ভারতীয় মদসহ গ্রেফতার তিন শেরপুর নকলা হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতে নারী দালালকে জরিমানা বড় ভাইয়ের পরিবারকে ঘর থেকে বের করে দিল ছোট ভাই ডাকসু নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের সময় এক সাংবাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রবাস ফেরৎ শাহ জামালের বিরুদ্ধে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলা মাত্র ১৫ সেকেন্ডে হাতুড়ির ১৩টি আঘাত! সহকর্মীকে নি*র্ম*ম হ*ত্যা তরুণ রতনের জামালপুরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে ৭৫ কেজি ভারতীয় এলাচ জব্দ

আত্মগোপনে চেয়ারম্যান ,অদৃশ্য ইশারায় চলে পরিষদ

মোছাঃ পারভীন আক্তার, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সংবাদটি শেয়ার করুন....

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে থাকলেও অদৃশ্য ইশারায় চলে  পরিষদ। ৭নং চুকাইবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রাশেদুজ্জামান সেলিম খান গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান।

 

৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

প্যানেল চেয়ারম্যান থাকলেও এখনো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে আত্মগোপনে থাকা চেয়ারম্যানের ইশারায় এমনটাই জানান ইউপি সদস্যরা। কাজেই প্যানেল চেয়ারম্যানরা উপস্থিত থাকলেও সেবার জন্য গিয়ে উল্টো ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

 

 

শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয় হিসাব পরিচালিত হতো চেয়ারম্যানের নামের ব্যাংক হিসাবে। তারা না থাকায় ইউনিয়ন সংশ্লিষ্ট আয়ের টাকা ব্যাংকে জমা করতে পারলেও উত্তোলন করতে না পারায় ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্ট ইউপি সচিব।

 

 

সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমের বিষয়ে ৭নং চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের পরিষদ সচিব ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারের ভয়ে ১ বছরের অধিক পরিষদে আসেন না। তিনি না থাকায় আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত এর সমাধান না হলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

তবে সব ধরনের ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করেন আত্মগোপনে থাকা চেয়ারম্যান রাশেদুজ্জামান সেলিম খান । আমরা পরিষদ থেকে কাগজপত্র দফাদার জাকিরুল ইসলামকে দিলে তিনি স্বাক্ষর এনে দেন। তিনি চেয়ারম্যানের মনোনীত ব্যক্তি। আমাদের করার কিছু নেই।

 

 

তবে ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, আমরা কোনো কাজে আসলে ঘুরতে ঘুরতে স্যান্ডেলের তলা ক্ষয় হয়ে যায়। আজ না কাল বলে বলে ঘুরায়। তারা বলেন- ‘চেয়াররম্যান বলেন ঢাকা থাহি স্বাক্ষর দেয়’।

 

 

সেবা প্রার্থীদের অভিযোগসহ সার্বিক চিত্র সম্পর্কে অবগত হয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমনটা আশা করেন ভুক্তভোগী, ইউপি সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন , আমার কাছে কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ করে নাই। আপনার কাছে শুনলাম বিষয়টি দ্রুত পদক্ষেপ নেবো।


সংবাদটি শেয়ার করুন....



আমাদের ফেসবুক পেজ