মোঃ আমজাদ হোসেন কুড়িগ্রামে জেলা প্রতিনিধি
তীব্র শীতের প্রকোপের মাঝেও চীনা গাছের বৃদ্ধি ও ফসলের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়নি। বরং এ বছর চীনা জাতীয় ফসলের উপর তেমন কীট পতঙ্গের প্রভাব পড়েনি।
কোদাল কাটি ইউনিয়নের মুঞ্জিল করাতি, সৈয়দুল, হবি ও আরজ আলী নামের কৃষকেরা বলেন আমরা উন্নত প্রযুক্তির চীনা চাষাবাদ করেছি। চাষাবাদের পরামর্শের জন্য আমরা রাজিব পুর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ গিয়ে কৃষি কর্মকর্তা রতন মিয়ার পরামর্শ নেই এবং সেই পরামর্শ মতে চীনা চাষাবাদ করেছি। এতে আশাবাদী আমরা চীনা চাষিরা অনেক লাভবান হবো।
ভূট্ট, গম ও অন্যান্য ফসলের চেয়ে খরচ অনেক কম এবং শ্রমও কম। প্রতি একরে ৪০/৪৫/৫০ মন পর্যন্ত চীনার ফলন হবে বলে আশাবাদী। একর প্রতি খরচ ১৫-১৮ হাজার টাকা হবে। আর চীনার প্রতি মনের দাম হয় ৩০০০-৩৫০০টাকা করে প্রতিবছর হয়। তাড়াও চীনার পল/খের গরু ছাগল ও মহিষের খাবারও বটে।