এদিকে বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকদের পাশে থাকতে বাতিল করা হয়েছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি।
গত এপ্রিলে শেষ সপ্তাহে হঠাৎ করে কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে মাটিতে লেপটে গেছে ক্ষেতের ধান। যেকোনো সময় বয়ে যেতে পারে শিলাবৃষ্টিও। তাই জমির আধাপাকা ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক।
চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে উচু এলাকার বোরো ধান পাকা শুরু করলেও এখনও মাঠের পর মাঠ কাঁচা পড়ে আছে নিচু এলাকার বোরো ধানের ক্ষেত। এ অবস্থায় বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকার অনেক ধান ক্ষেত। ফলে আকাশের পরিস্থিতি বিবেচনায় তড়িঘড়ি করে মাঠের আধা-পাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, এ মৌসুমে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ক্ষেতের ৮০ ভাগ ধান পেকে গেলেই কেটে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এজন্য কৃষকদের পাশে থাকতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিলের কথা জানায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা।
কুড়িগ্রাম জেলায় এখন পর্যন্ত ক্ষেতের ১১ ভাগ ধান কাটা হয়েছে।। কালবৈশাখী ঝড়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ২৭০ হেক্টর জমির ধানের ক্ষেত।’