হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর পর টানা ৩ ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে চিটাগং কিংস। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) আসরে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে হারিয়েছে মোহাম্মদ মিথুনের দল। আর এই জয়ে ফরচুন বরিশালকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে চিটাগাং।
ঘরের মাঠে আজ চিটাগাংয়ের কাছে ৩০ রানে হেরেছে সিলেট। শুরুতে ব্যাট করে ২০৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় চিটাগাং। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৭৩ রানে থামে সিলেট।
বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলীয় ১ রানেই পল স্টার্লিংয়ের উইকেট হারায় সিলেট। তিনে নামা জাকির হাসান উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফিরেছেন ১৯ বলে ২৫ রান করে। ব্যর্থ হয়েছেন ওপেনার রনি তালুকদারও। পাওয়ারপ্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় সিলেট।
পাওয়ারপ্লের পর খেলা অনেক স্লো করে ফেলেন জর্জ মানসি এবং অ্যারন জোনস। ৭-১০ ওভারের মধ্যে কেবল ১৫ রান নেয় সিলেট। একাদশ ওভারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন জোনস। এরপর খেলার হাল ধরার চেষ্টা করেন জর্জ মানসি। তার সঙ্গে যোগ দেন জাকের আলি অনিকও। তবে রানের চাপটা এতোই বেড়ে যায় যে সেটা আর কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
৩৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে মানসি ফেরার পর বড় সমীকরণ আর মেলাতে পারেননি জাকের-আরিফুলরা। ২৩ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন জাকের। তবে এই ইনিংস হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া কোনো কাজে আসেনি।
চিটাগাংয়ের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানি পেসার ওয়াসিম জুনিয়র। আলিস আল ইসলাম নিয়েছেন ২ উইকেট।
এর আগে উসমান খান, গ্রাহাম ক্লার্ক, হায়দার আলী ও মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাটে ৬ উইকেটে ২০৩ রান করে চিটাগাং। তবে শুরুটা খুব ভালো ছিল না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ডাক পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন আশাব্যঞ্জক কিছু করতে পারেননি। ১০ বলে ৭ রান করে তানজিম হাসান সাকিবের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
তবে আরেক ওপেনার উসমান খান গ্রাহাম ক্লার্ককে নিয়ে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন। এ দুজনই হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৬৮ রানের জুটি গড়ার পথে ৩৫ বলে ৫৩ রান করেন উসমান, ক্লার্ক ৩৩ বলে করেন ৬০। শেষের জনের ইনিংসটি সাজানো ৫টি ছয় ও ৩টি চারের মারে। এই ইংলিশ আউট হওয়ার সময় চিটাগংয়ের সংগ্রহ ১৪৮।
মোহাম্মদ মিঠুন ১৯ বলে করেন ২৮ রান। আগের ৩ ম্যাচে দুশো স্ট্রাইকরেটে ১১০ করা শামিম আজ অবদান রাখতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে সাকিবের ওভারে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাকে। শেষদিকে হায়দার আলীর ১৮ বলে ৪২ রানের ইনিংসে দুই শ ছাড়ায় তাদের সংগ্রহ।
সাকিবের ২ উইকেট বাদেও সিলেটের হয়ে একটি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম, রুয়েল মিয়া ও আরিফুল হক।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ...